সংবাদ শিরোনাম :

Advertisement

ঢাকার শ্যামপুরের সীবা টেস্কটাইল সহ ১১ জনের দায়েরকৃত আপিল শুনানি শেষে খারিজ করে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ

ঢাকার শ্যামপুরের সীবা টেস্কটাইল সহ ১১ জনের দায়েরকৃত আপিল শুনানি শেষে খারিজ করে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ

ঢাকার শ্যমপুরে পরিচালিত বিভিন্ন শিল্প কারখানা থেকে বর্জ্য নিঃসরণে বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দূষণ ও পরিবেশে ধ্বংস প্রতিরোধে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) একটি রীট পিটিশন দায়ের করলে ২০১৪ সালে হাইকোর্ট এক আদেশে শিল্প কারখানা কর্তৃক বর্জ্য নিঃসরণের মাধ্যমে পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে পরিবেশ অধিদপ্তর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অনেকগুলি শিল্প কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। পরবর্তীতে একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আদালত পুনরায় আদেশ দিলে এইচআরপিবি আপিল করে এবং শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে রুল নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।
পরবর্তীতে উক্ত বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরে পেতে সীবা টেক্সটাইলসহ ১১ জন ২০১৮ সালে আলাদা একটি রীট পিটিশন দায়ের করলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বিদ্যুৎ সংযোগের আদেশ দেন। আপিল বিভাগের পূর্ববর্তী আদেশ এর বিষয় অবহিত করে রীট পিটিশনটি শুনানির জন্য আবেদন জানালে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহম্মদউল্লাহ এর আদালত শুনানি হয় এবং শুনানি শেষে গত ১০.১২.২০১৯ তারিখে রুল ডিসচার্জ করে আদেশ দেয়া হয়। উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে সীবা টেক্সটাইল গং ২৫৭/২০ লীভ টু আপিল দায়ের করেন।
গতকাল শুনানিতে আপিলকারীর পক্ষে বলা হয় যে তারা ইটিপি স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি পেয়েছেন এবং কাজ শেষ করতে ৪৪০ ভোল্টেজ এর বিদ্যুৎ সংযোগ এর নির্দেশ এর প্রার্থনা করেন। পরিবেশ অধিদপ্তর এর পক্ষে এডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন ইটিপির কাজ করার জন্য ইতিমধ্যে ২২০ ভোল্টেজের জন্য লিখিতভাবে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র অবৈধভাবে শিল্প পরিচালনার জন্য ৪৪০ ভোল্টেজ এর আবেদন জানান হচ্ছে। তিনি আরও বলেন বার বার রীট করে শিল্প মালিকরা অবৈধভাবে ইটিপি ছাড়া শিল্প চালাতে চেষ্টা করছেন এবং ৬ বছর ধরে বিভিন্নভাবে ২০১৪ সালের নির্দেশনা কার্যকর করতে দিচ্ছেন না। বিজ্ঞ এটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন এই শিল্প কারখানাগুলি বুড়িগঙ্গার পানিকে মারাত্মক দূষিত করছে।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এর নেতৃত্বে বিচারপতি মো: ইমান আলি, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার এবং বিচারপতি আবুবকর সিদ্দিকী এর আদালতে গতকাল শুনানি শেষে আপিলটি খারিজ করে আদেশ দেন এবং আবেদন না মন্জুর করেন।

আদালতে সীবা টেক্সটাইলসহ অন্য ১১ জন আপিলকারির পক্ষে ছিলেন এডভোকেট জয়নাল আবেদিন এবং এ,এম, আমিনউদ্দিন। পরিবেশ অধিদপ্তর এর পক্ষে ছিলেন এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। সঃ বিঃ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020 www.jhalakatibarta.com
Developed BY Website-open.com
error: Content is protected !!