সংবাদ শিরোনাম :

Advertisement

ঝালকাঠিতে ফলদ বৃক্ষ রোপণে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে

ঝালকাঠিতে ফলদ বৃক্ষ রোপণে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে “মুজিববর্ষের আহŸান- লাগাই গাছ, বাড়াই বন” ¯েøাগানে ঝালকাঠিতে বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরুর পর থেকে জেলা জুড়ে বৃক্ষ রোপণ চলছে। এখন বর্ষাকাল বৃক্ষ রোপণের ভরা মৌসুম। চলতি বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে বর্তমান সময় জলবায়ু মোকাবেলার ক্ষেত্রে বনায়ন একটি বড় ভূমিকা পালন করছে। ঝালকাঠি জেলায় প্রায় ২৫% বনায়ন রয়েছে। বন বিভাগের হিসাব মতে প্রতি বছর ১০% বৃক্ষ রোপণ করা হয় এবং ৫% বৃক্ষ কর্তন হয়। ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে প্রধানত স্বরূপকাঠী অঞ্চল থেকে চারা বিক্রেতা বেপারীরা হাট বাজারগুলিকে ঘুরে ঘুরে চারা বিক্রি করেন। বিক্রেতাদের হিসাব মতে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি এই ২ উপজেলাই শুধু এই মৌসুমেই প্রায় ১ কোটি টাকার চারা বিক্রি করে। ঝালকাঠির অন্য দুটি উপজেলা রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় অনুরূপ পরিমাণ চারা বিক্রি হবে। চারা ক্রেতাদের মধ্যে বসত বাড়ির আঙিনায় এবং পতিত জমিতে ফল বাগানের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ঝালকাঠির পালবাড়ী এলাকার চারা বিক্রি হাটে এই জেলার বাইরেও বরিশাল থেকেও লোকজন এসে হাটের দিন ফলের চারা কিনে নিয়ে যায়। হাটগুলি সপ্তাহে ২ দিন বসে। মানুষের মধ্যে ফলদ গাছের চারা রোপণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষ বিষমুক্ত ফল নিজেরাই উৎপাদন করে খাওয়া এবং আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য বাগান করছে। ঝালকাঠি জেলায় প্রতি বছর বাগানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও এবছর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বন বিভাগ জেলায় ৮১ হাজার ৩শ বনজ, ফলদ ও ঔষধী গাছের চারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের বসত বাড়িতে রোপণের জন্য বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এই সকল চারা বন বিভাগ তাদের নার্সারিতে উৎপাদন করছে।
ঝালকাঠির চারা বিক্রির হাটে বরিশাল থেকে মাল্টা চারা কিনতে আসছেন রানা হাওলাদার। তিনি জানান, ইতিপূর্বেও সে বরিশাল থেকে এসে আরও কিছু চারা কিনেছে। ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের রাকিব বিন বাসার জানান, সে হাট থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার চারা কিনেছে। নিজের বাড়ির আঙিনায় এবং পতিত জায়গায় ফল বাগান করার জন্যই চারা কিনতে উদ্যোগী হয়েছেন। স্বরূপকাঠী থেকে চারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠির হাটে হাটে বিক্রি করে আসছেন আকবর আলী। তিনি জানান, ঝালকাঠি সদর উপজেলা ও নলছিটি এই ২টি উপজেলায়ই প্রায় ১ কোটি টাকার চারা তারা এই মৌসুমে বিক্রি করতে পারবে। বর্তমানে মানুষের মধ্যে বনজ গাছের চেয়ে ফলদ গাছের চারা কেনার প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ঝালকাঠি জেলা ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জিয়া জানান মুজিব বর্ষ উপলক্ষে এই মৌসুমে তারা ৮১ হাজার ৩শ চারা বিতরণ করবেন। এই জেলায় প্রায় ২৫% বনায়ন রয়েছে এবং প্রতি বছর ১০% বনায়ন করা হয় ও ৫% বনায়ন কর্তন করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020 www.jhalakatibarta.com
Developed BY Website-open.com
error: Content is protected !!