সংবাদ শিরোনাম :

Advertisement

আমুয়া সেতুর ঢালের দু’পাশের সরকারি জমি দখল করে দোকান ও স্থাপনা, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

আমুয়া সেতুর ঢালের দু’পাশের সরকারি জমি দখল করে দোকান ও স্থাপনা, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

কাঠালিয়া প্রতিনিধি:
কাঠালিয়া উপজেলার কাঠালিয়া আমুয়া সড়কের আমুয়া সেতুর ২ পাড়ের, আমুয়া উত্তর পাড় নতুন স্ট্যান্ড, জিরো পয়েন্ট ও প্রযুক্তি নামক স্থানে, কচুয়ায় সড়ক ও জনপদের সরকারি অধিগ্রহণকৃত জমি ভূমিদস্যুরা আস্তে আস্তে গিলে খাচ্ছে। সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমুয়া সেতুর ২ পাড়ের সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমিতে টোল আদায়ের একটি বিশাল ঘর দোকান ঘর, অফিস/ক্লাবঘর উত্তোলন করে ভাড়া দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি ভূমিদস্যু চক্র। আমুয়া পশ্চিম পাড়ের ১৬০৮ ও ৩০০ খতিয়ানের ৫৯৬৭, ৫৯৬৯ ও ৫৯৬৭ নং দাগের জমির সরকারের কাছ থেকে জমির মালিকরা সকল জমির অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলন করে নেয়ার পরেও অবৈধভাবে প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের ম্যানেজ করে সরকারি জমিতে দোকান ঘর, টোল ঘর নির্মাণ, মসজিদ নির্মাণ নামে জমি দখল করা হয়েছে। এ গুরুত্বপুর্ন সড়কটির উপরে সপ্তায় শুক্র ও মঙ্গলবার বাজার বসলেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই সড়ক দিয়ে বাজারে আসতে হয় ক্রেতাদের। ওই সড়কটির দু পাশে দোকান বসায় ঘটছে একের পর এক দুর্ঘটনা। তাছাড়াও ওই সড়কটি দিয়ে স্কুল, কলেজ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়েত করে হাজার হাজার ছাত্র ছাত্রীরা। অনেক সময় স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসার পথে যানজটের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে একের পর এক দুর্ঘটনা। স্থানীয়রা জানান, সড়ক ও জনপদের জমি স্থানীয় প্রভাবশালী শাহারুম গোলদার, কবির সিকদার, সুভাষ রায়, খলিল মোল্লা ও রাসেল সিকদারসহ একটি ভূমি দস্যু গ্রæপ রাস্তার ২ পাড়ে ঘর নির্মাণ করে আলমঙ্গীর মৃধা, আশ্রাব আলী সরদার, বজলু মৃধা, শহীদুল মৃধা, ফারুক, ফোরকান, জামাল, ইউসুব মৃধা, জাকির হোসেন, রিপন মিয়া, শহীদুল, শামীম, শাহেদ খলিফা, খলিল মোল্লা, শাহারুম গোলদার, শহীদ গোলদার, মোঃ কবির ও মালেকসহ আরো নাম না জানা অনেক ব্যবসায়ীরা ঘর মালিকদেরকে ৫০ হাজার ও ১ লক্ষ টাকা অগ্রিম দিয়ে ঘর ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করছেন। স্থানীয়রা আরো জানান, সাবেক জেলা প্রশাসক মোঃ হামিদুল হক, ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী অধিদপ্তর, ও সাবেক কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকন্দ মোহাম্মাদ ফয়সাল উদ্দীনসহ বিভিন্ন দপ্তরে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য অভিযোগ দেয়া হলেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী জানান, সরকারি জমি বেআইনিভাবে যদি কেউ দখল করে ৪/৫ দিনের মধ্যেই তাদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেয়া হবে বললেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি তিনি। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুফল চন্দ্র গোলদার জানান, সড়ক ও জনপদের দখলকৃত জমি তারা ব্যবস্থা নিবে, আর আমাদের সরকারি জমি যদি কেউ অবৈধভাবে দখল করে থাকে আমাদেরকে দেখিয়ে দিবেন আমরা তা উচ্ছেদ করব।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020 www.jhalakatibarta.com
Developed BY Website-open.com
error: Content is protected !!