সংবাদ শিরোনাম :

Advertisement

প্রবল বেগে আসছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’: মোংলা ও পায়রায় ৭, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত

প্রবল বেগে আসছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’: মোংলা ও পায়রায় ৭, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত

প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। এটি ২০ মে (বুধবার) খুব ভোর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে যে কোনো সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে বাংলাদেশের নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ পর্যন্ত উপকূলজুড়েই আছড়ে পড়তে পারে। ‘আম্ফান’ ঘণ্টায় গড়ে ৮-১২ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে উপকূলের দিকে। এখন পর্যন্ত এতটাই শক্তি সঞ্চয় করেছে যে, ‘সুপার সাইক্লোনে’ রূপ নিয়েছে এটি। তবে বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার সময় এর গতি কিছুটা কমে ‘এক্সট্রিম সিভিয়ার সাইক্লোন’ বা ‘অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিতে পারে। এতে ঘূর্ণিঝড়টি ২০০৭ সালের সিডরের মতোই শক্তি নিয়ে আসতে পারে।

ইতোমধ্যে এর কেন্দ্র থেকে ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ২৫৯ কিলোমিটার হয়েছে। যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়া আকারে ২৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বাংলাদেশে আঘাতের সময় এর গতি ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এটি বর্তমান বাংলাদেশ উপকূল থেকে গড়ে ১ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সিডরের গতি ছিল ঘণ্টায় ২২৩ কিলোমিটার। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপকূলে বলেশ্বর নদীর মুখ দিয়ে সুন্দরবন অতিক্রম করেছিল সিডর।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের (বিএমডি) আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ১৯ মে দিবাগত ভোররাত (২০ মে সকাল) থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর গতি ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। বর্তমানে উপকূলের দিকে এর অগ্রগতি ঘণ্টায় ৮-১২ কিলোমিটার।

সোমবার বিকাল তিনটায় এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বিএমডি বলেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ এবং চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ এবং চরসমূহের নিুাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলায় এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণসহ ঘণ্টায় ১৪০-১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আর বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল ইসলাম বলেন, আম্ফান ইতোমধ্যে ‘সুপার সাইক্লোনে’ পরিণত হয়েছে। এটি ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। যদিও বাংলাদেশে আঘাত হানার সময় শক্তি কিছুটা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তখনও এটি এক্সট্রিম সিভিয়ার সাইক্লোন হিসেবে থাকতে পারে। এই ঝড়ের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অমাবস্যা। আগামী ২২ মে অমাবস্যা হতে পারে। এতে ঝড়ের সঙ্গে বড় রকমের জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এর পরিমাণ ১৫-২০ ফুট হতে পারে।

গত ১৫ মে গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় সাগরে। এর আগে এটি লঘুচাপ ও নিুচাপ পর্যায়ে ছিল। তখন পর্যন্ত এর গতিমুখ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যমুখী ছিল। ১৬ মে এটি সামান্য পূর্বদিকে বাঁক নেয়। তখন এটি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশামুখী ছিল। পরে ১৭ মে রাত ৯টায় পূর্বদিকে বেশ বেঁকে যায় ঘূর্ণিঝড়টি। ১৮ মে সোমবার সকাল ৮টা নাগাদ আরেক দফা বাঁক নিয়েছে। ফলে এটি এখন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের দিকেই এগোচ্ছে বলে কম্পিউটার মডেল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে।

সোমবার দুপুর ১২টায় বিএমডি ১৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ উত্তরদিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে বর্তমানে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে দিক পরিবর্তন করে উত্তর/উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রস্থলে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

তবে ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) এবং জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার (জেটিডব্লিউসি) বলছে, দুপুর ১২টার দিকেই এটি ‘সুপার সাইক্লোন’ বা সর্বোচ্চ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ওই সময়ে এর বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ছিল ২৫৯ কিলোমিটার। এটি আরও শক্তিশালী ঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা আছে। বুধবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের দিঘা এবং বাংলাদেশের হাতিয়া দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে এই ঝড়।

প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড়ের ৫টি ক্যাটাগরি আছে। পঞ্চম বা সবচেয়ে ভয়ংকর রূপটির নাম ‘সুপার সাইক্লোন’। বাতাসের গতি যখন ঘণ্টায় ২২১ কিলোমিটারের উপরে থাকে তখন সেটিকে সুপার সাইক্লোন বলে। আম্পানের বর্তমানে বাতাসের গতি ২৫৯ কিলোমিটার। চার নম্বর ক্যাটাগরি হচ্ছে এক্সট্রিম সিভিয়ার সাইক্লোন। এর বাতাসের গতি থাকে ১৬৬-২২০ কিলোমিটার। তৃতীয় পর্যায়েরটির নাম ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোন। এর বাতাসের গতি থাকে ১১৮-১৬৫ কিলোমিটার। দ্বিতীয় ক্যাটাগরির নাম সিভিয়ার সাইক্লোন। এর বাতাসের গতি ৮৯-১১৭ কিলোমিটার। আর প্রথম ক্যাটাগরির ঘূণিঝড়ে বাতাসের গতি থাকে ৬৫-৮৮ কিলোমিটার।

বুয়েটের অধ্যাপক একেএম সাইফুল ইসলাম বলেন, সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় যে, উপকূলের কাছাকাছি এলে এর শক্তি কিছুটা কমে যেতে পারে। কিন্তু তাও এর গতি ১৯৭০ সালের ভোলা সাইক্লোন বা ১৯৯১ সালের সাইক্লোন কিংবা ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের মতোই শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়তে পারে। তেমনটি হলে বাংলাদেশের ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। এই তিনটি ঝড়ের বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২০-২২৫ কিলোমিটারের মধ্যে। পাশাপশি ১৫-৩৩ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল। বুয়েটের এই অধ্যাপক আরও বলেন, এই মুহূর্তে জরুরি ভিত্তিতে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য দুর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ দরকার। কেননা, এবারের পরিস্থিতি অন্যবারের মতো নয়। প্রথমত, রমজান মাস, দ্বিতীয়ত করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলছে। একদিকে স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই, মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ অন্যান্য সামগ্রী দিতে হবে। প্রায় ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক থাকলেও তাদের কাজে লাগানো বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি আশ্রয় কেন্দ্রে যাদের নেয়া হবে তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য এবার আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে, আশ্রয় কেন্দ্রে যদি সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা না হয়, তাহলে মহামারী আরও ভয়ংকর রূপ লাভ করবে। ইতোমধ্যে করোনার প্রকোপ খুবই উদ্বেগজনক পর্যায়ে আছে।

আইএমডি বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার সন্ধ্যা থেকে ওড়িশা উপকূলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে কোথাও কোথাও ভারি বৃষ্টিপাতও হতে পারে। আর বিএমডি বলছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে ঝড়ের অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে পারে। তবে দুর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া শুরু হবে মঙ্গলবার বিকাল থেকে। সন্ধ্যার মধ্যে সবাইকে স্থানান্তর নিশ্চিতের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ওই মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল বলেন, আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টি এখন যে গতিতে এগিয়ে আসছে তাতে এটি বুধবার সকালের পর যে কোনো সময় বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তাই মঙ্গলবার বিকাল থেকে উপকূলীয় এলাকার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, এবার দুর্গতদের সামাজিক দূরত্ব মেনে আশ্রয় কেন্দ্রে ব্যবস্থা করতে হবে। গাদাগাদি করে যাতে না থাকে এ জন্য আমরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আশ্রয় কেন্দ্ররূপে ব্যবহার করছি। এ ছাড়া আরও ৫ হাজার সাইক্লোন শেল্টারও প্রস্তুত করা হয়েছে।

সারা দেশে প্রস্তুত ১২ হাজার আশ্রয় কেন্দ্র : ঘূর্ণিঝড় আম্ফান উপকূলের দিকে ধেয়ে আসার প্রেক্ষাপটে ৫১ লাখ ৯০ হাজার মানুষের জন্য ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। আজ সকাল থেকে মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। সোমবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি বিষয়ে অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের সময়, তাই প্রত্যেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বলেছি। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আসবেন তাদের মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) ভলান্টিয়ারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তারা যেন আগামীকাল সকাল থেকে সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ করেন। এ কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করবে। মঙ্গলবার রাতের মধ্যে সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হবে জানিয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোমবার দুপুর পর্যন্ত দুই হাজার ৫৬০ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে গেছেন। কেন্দ্রে যারা আশ্রয় নেবেন তাদের জন্য তিন হাজার ১০০ টন চাল, ৫০ লাখ নগদ টাকা, শিশু খাদ্য কিনতে ৩১ লাখ টাকা, গোখাদ্য কিনতে ২৮ লাখ টাকা এবং চার হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

তথ্যসূত্র :–যুগান্তর

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020 www.jhalakatibarta.com
Developed BY Website-open.com
error: Content is protected !!