সংবাদ শিরোনাম :

Advertisement

ধানসিঁড়ি নদী খননের মাটিতে বন্ধ হয়েছে সেচ নালা, বোরো চাষে বিপর্যয়, আমন আবাদ না হবার আশংকা

ধানসিঁড়ি নদী খননের মাটিতে বন্ধ হয়েছে সেচ নালা, বোরো চাষে বিপর্যয়, আমন আবাদ না হবার আশংকা

সংবাদদাতা ঃ রাজাপুর উপজেলার ২ কিলো মিটারের ধানসিঁড়ি নদী খননের মাটিতে সংযোগ খাল ও সেচ নালা চাঁপা পরায় চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে। উত্তর বাগরীর গাজী বাড়ি থেকে সিকদার বাড়ির খাল পর্যন্ত শত বিঘা জমিতে এ সমস্যার কারনে এলাকার কৃষকদের চাষাবাদ মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সেচ সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি এসব জমিতে বর্ষার পনি জমে থাকায় দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। দীর্ঘ দিন এ সমস্যার কারনে এলাকাবাসি বাধ্য হয়ে এই দূষিত পানি রান্না ও ধোয়া পাল্লার কাজেও ব্যবহার করছে।
এলাকার কৃষক বাহাদুর গাজী, মোজাম্মেল, ইসরাফিল খান, এসমাইল খান, আঃ মজিদ, আঃ রউফ, ইলিয়াস সিকদার, কালাম জানান, আমরা প্রতি বছরের মতো চলতি মওসুমে ইরি আবাদ করতে পারিনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ধানসিড়ি নদী খননের ঠিকাদার খননের মাটি সরিয়ে না নেয়ায় সেচ সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। পাহাড়ের মত মাটি কেটে ফেলে রাখায় এ্ই এলাকার ৬টি সংযোগ খাল ও ৩টি কালভার্টের মুখ বন্ধ হয়ে মাটির নীচে চাঁপা পরেছে। দ্রæত এ মাটি সরিয়ে খাল ও কালভার্টের মুখ চালু করতে না পারলে সামনের আমন মৌসুমেও চাষাবাদ করা সম্ভব হবেনা বলে কৃষকদের অভিযোগ।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ফয়সাল জানান, আমি বিষয়টি জানার সাথে সাথে মাটি সরিয়ে সেচ নালা ও সংযোগ খাল গুলোর পানি চলাচল করার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে। তবে খননের মাটি গুলো কিছু অংশ সরিয়ে ওয়াক আউট করা হবে। একই সাথে পাশে গাছ লাগানো হবে। কিন্তু এ কাজের জন্য প্রথম টেন্ডারে আলদা বরাদ্দ না থাকায় ঠিকাদার বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছে। যা বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে এ কাজ শুরু করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020 www.jhalakatibarta.com
Developed BY Website-open.com
error: Content is protected !!